০৮ জুন, ২০১৫ ১৭:১৫
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহএএমএস কিবরিয়া হত্যাকান্ডে বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় কারাগারে থাকা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র জি কে গউছের জামিন না-মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নিশাত সুলতানা তাদের জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছের জামিন আবেদন করা হয়। কিন্তু ওইদিন আদালতের কার্যতালিকায় মামলাটি ছিল না। এছাড়া আদালতে মামলার নথি না থাকায় বিচারক সোমবার জামিন শুনানির দিন ধার্য্য করেন। সোমবার আদালতে মামলার কার্যক্রম শুরু হলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালেহ উদ্দিন আহমেদ আলহাজ্ব জি কে গউছের পক্ষে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনজুর উদ্দিন শাহিন আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে জামিন শুনানি করেন। এসময় বাদীপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করেন। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৩ জুন।
গত ১২ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র সিনিয়র এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল কিবরিয়া হত্যকান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার জেলে থাকা আসামীদেরকে বিস্ফোরক মামলায় শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করেন। এ প্রেক্ষিতে গত ১ জুন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও আলহাজ্ব জি কে গউছসহ কারাগারে থাকা সকল আসামীকে শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ ৫ জন। এতে আহত হন বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপিসহ ৪৩ জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মজিদ খান এমপি বাদি হয়ে সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হলেও বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলাটির এখনও সম্পূরক চার্জশীট প্রদান করা হয়নি।
আপনার মন্তব্য