হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

০৮ জুন, ২০১৫ ২০:৫১

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে শ্লীলতাহানী; ৩ যুবকের কারাদন্ড

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বেড়াতে আসা প্রাণ কোম্পানীর এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগে দুই যুবককে ১ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং বেড়াতে নিয়ে আসা যুবককে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাশহুদুল কবীর এ দন্ড প্রদান করেন। দুপুরে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাহুবল উপজেলার বনগাঁও গ্রামের জনৈকা যুবতী রোববার চুনারুঘাট উপজেলার শাইলগাছ গ্রামের কবির মিয়ার সাথে সাতছড়িতে ঘুরতে যায়। জাতীয় উদ্যানের পুকুড়পাড় এলাকায় গেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ গ্রামের হিরা মিয়ার ছেলে আলমগীর মিয়া ও একই গ্রামের তার সহযোগী মৃত আব্দুল জাহিরের পুত্র আব্দুল হকসহ ৫ যুবক নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদের সাথে আলাপ শুরু করে। এক পর্যায়ে কবির মিয়াকে বেধরক মারপিট করে তারা।

এ সুযোগে আলমগীর মিয়া ও আব্দুল হক ওই যুবতীকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় কবির মিয়া দৌড়ে বিষয়টি জাতীয় উদ্যানের সুপারভাইজার আবুল হোসেন ও বিট কর্মকর্তা মাসুদ মোস্তফাকে জানালে তারা লোকজনকে নিয়ে আলমগীর ও আব্দুল হককে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার এসআই হরিদাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ যুবতীসহ কবির মিয়া ও ধর্ষণের চেষ্টাকারী আলমগীর ও আব্দুল হককে থানায় নিয়ে আসে।

সোমবার সকালে তাদেরকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করা হয়। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাশহদুল কবীর শ্লীলতাহানী ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আলমগীর মিয়া ও আব্দুল হককে ১ বছর করে ও কবির মিয়াকে ৬ মাসের কারাদন্ড দেন।
ওই যুবতী জানায়, সে অলিপুর প্রাণ কোম্পানিতে পটেটো সেকশনে চাকরি করে। রোববার রাতে তার নাইট শিফটে কাজ ছিল। তাই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ঘুরে সন্ধ্যায় তার কর্মস্থলে যাওয়ার কথা ছিল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত