সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:৫৫

আমি ভ্যান্সের মধ্যে আমার স্বামীর মিল পাচ্ছি: এরিকা কার্ক

ট্রাম্পের ভক্ত ও চার্লি কার্কের স্ত্রী এরিকা কার্ক স্থানীয় সময় বুধবার ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপিতে ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’র একটি ক্যাম্পাস ইভেন্টে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে যোগ দিয়ে জনসমক্ষে আবেগপূর্ণ প্রত্যাবর্তন করেছেন। ইউটা ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে স্নাইপারের গুলিতে চার্লির মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের সাত সপ্তাহ পর রক্ষণশীল এই অনুষ্ঠানে এই প্রথম বক্তৃতা দিলেন এরিকা।

প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীর সামনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় এরিকা ট্র্যাজেডির মুখে সাহসিকতা নিয়ে কথা বলেন এবং জানান যে তিনিই ভ্যান্সকে এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘‘যখন আমাদের দল আমার প্রিয় বন্ধু, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে আজ কথা বলার জন্য অনুরোধ করে, আমি সত্যিই এর জন্য প্রার্থনা করেছিলাম, কারণ স্পষ্টতই এটি একটি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ দিন।’’

এরিকা আরও বলেন, ‘‘কিন্তু আমি আমার হৃদয়ে চার্লির কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি যেন শুনতে পাচ্ছিলাম তিনি বলছেন, ‘যাও, সেই অঞ্চল পুনরুদ্ধার করো, সোনা।’ যুদ্ধ ইতোমধ্যে জেতা হয়েছে। ঈশ্বরের প্রেম জয় করে। আর সেই কারণেই আমি আজ এখানে এসেছি।’’

কার্ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের উষ্ণ প্রশংসা করেন, যিনি ইউটা থেকে অ্যারিজোনা পর্যন্ত এয়ার ফোর্স টু-তে চার্লি কার্কের কফিন বহন করতে সাহায্য করেছিলেন। এরিকা বলেন, ‘‘কেউ কোনো দিন আমার স্বামীর স্থলাভিষিক্ত হবে না, তবে আমি জেডির (জেডি ভান্স) মধ্যে কিছু মিল দেখতে পাচ্ছি।’’

বর্তমানে তার স্বামী প্রতিষ্ঠিত ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এরিকা।

ক্যাম্পাসে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি এটিকে ‘অঞ্চলের আধ্যাত্মিক পুনরুদ্ধার’’ বলে বর্ণনা করেন। শিক্ষার্থীদের তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে এরিকা বলেন, ‘‘আমার জীবনে আপনাদের সবাইকে পেয়ে কতটা সাহায্য হচ্ছে, তা আপনারা ধারণাও করতে পারবেন না... আপনারা আমাকে আমার স্বামীর সঙ্গে আরও বেশি সংযুক্ত অনুভব করান। তিনি আমাদের খালি হাতে রেখে যাননি। তিনি একটি যন্ত্র তৈরি করে গেছেন। আর আপনারা সবাই তার অংশ।’’

অনুষ্ঠানে ভ্যান্স শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণ করেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট তার স্ত্রী ভারতীয় বংশদ্ভোত ঊষার ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কিত একটি বিতর্কিত প্রশ্নেরও জবাব দেন।

তিনি বলেন, ‘‘হ্যাঁ, আমার স্ত্রী খ্রিস্টান পরিবারে বড় হননি। আমার মনে হয় এটা বলা সঠিক যে তিনি একটি হিন্দু পরিবারে বড় হয়েছেন, তবে কোনো দিকেই খুব ধার্মিক পরিবারে নয়। প্রত্যেককেই এখানে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়... আমরা আমাদের সন্তানদের খ্রিস্টান হিসেবে বড় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত