০৪ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:৫৬
সিলেটে কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের উপর প্রকাশ্য হামলার পর হামলাকারী ধরা পড়লেও পুলিশ এক মাসেও অভিযোগপত্র না দেওয়ায় অসন্তোষ জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।
বৃহস্পতিবার কমিশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশজুড়ে আলোচিত ঘটনাটি তুলে ধরে অভিযোগপত্রের দেরি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
ফৌজদারি এই মামলায় পুলিশ অভিযোগপত্র দেওয়ার পর তা বিচারের জন্য প্রস্তুত হবে। অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের পর রায় হবে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, “খাদিজার ব্যাপারে থানায় কথা বলেছি, সিলেট মেডিকেলে কথা বলেছি। পুলিশ বলছে, তারা মেডিকেল রিপোর্ট পায়নি। এখন জানতে পারলাম, খাদিজার স্টেটমেন্ট নিতে পারছে না।
“আমি বলেছি খাদিজার ব্যাপারে চিঠি দিয়ে দাও। খাদিজার স্টেটমেন্টের দরকার নাই। খাদিজা সুস্থ হয়ে উঠলে স্টেটমেন্ট দেবে। ও কোর্টে গিয়ে সাক্ষি দেবে। এজন্য চার্জশিট দিতে দেরি হবে কেন?”
আরও পড়ুন : এক মাসেও খাদিজার উপর হামলার চার্জশিট দিতে পারেনি পুলিশ
গত ৩ অক্টোবর সিলেটে এমসি কলেজে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা।
হামলাকারী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলমকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। খাদিজার পরিবারের করা মামলার একমাত্র আসামি বদরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে আদালতে।
খাদিজা ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবন বাঁচলেও স্মৃতিশক্তি এখনও পুরোপুরি ফিরে পাননি তিনি। এজন্য সময় লাগতে পারে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
আপনার মন্তব্য