সিলেটটুডে ডেস্ক

০৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ২১:০৯

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তৎপরতা চালাচ্ছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়্যবা!

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ত্রাণ বিতরণের নামে প্রশ্নবিদ্ধ কমর্কাণ্ড চালাচ্ছে পাকিস্তানভিত্তিক সংস্থা ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত। যাদের মূল কাজ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়্যবার তহবিল সংগ্রহ। ২০১২ সালে এই এনজিও’র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। কিন্তু চলমান অস্থিরতার সুযোগে প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে অনেকেই মাঠে নেমে পড়েছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আছে এমন সংগঠন কী করে নজর এড়িয়ে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নানা প্রশ্নবিদ্ধ কমর্কাণ্ড চালাচ্ছে পাকিস্তানভিত্তিক সংস্থা ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত। ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত ফাউন্ডেশনের ব্যানারে তারা ক্যাম্পগুলোয় ত্রাণ বিতরণ করছে। বিতর্কিত এই সংগঠনের সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকার কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকেও। এছাড়াও এফআইএফ’র কার্যক্রমের সাথে উখিয়া ও টেকনাফের জামায়াত ইসলামের উপজেলা পর্যায়ের নেতাদেরও যোগাযোগ পরিস্কার তাদের নিজেদের তোলা ছবিতে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থা- এফবিআই ও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব ট্রেজারি’র তথ্য অনুযায়ী, করাচিভিত্তিক ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত ফাউন্ডেশনের (এফআইএফ) দায়িত্বে আছেন লস্কর নেতা শহিদ মাহমুদ। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের কাছেই এটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই সংগঠন কাজ করছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে।

কুতুপালং ক্যাম্পের ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, ক্যাম্পে হাজার হাজার মানুষ আছে তাই আমাদের চোখে পড়েনি। তবে সুনির্দিষ্টভাবে তারা যদি অফিস স্থাপন করে তাদের কার্যক্রম চালাতো তবে অবশ্যই আমাদের চোখে পড়ত।

উখিয়া ইউএনও নিকারুজ্জামান বলেন, যদি এমন কোনো এনজিও পাওয়া যায় তাদের কার্যক্রম নিরাপত্তার জন্য হুমকি, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুল কালাম বলেন, এফআইএফ নামের কোনো এনজিও’কে আমরা ত্রাণ তৎপরতা চালানোর অনুমতি দেইনি।  বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং তেমন কিছু পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুত্র : যমুনা অনলাইন


আপনার মন্তব্য

আলোচিত