সিলেটটুডে ডেস্ক

০৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৫:০৬

আপন জুয়েলার্সের দুই মালিকের মুক্তিতে বাধা নেই

মুদ্রা পাচারের অভিযোগে করা পৃথক তিন মামলায় আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম এবং তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে পাসপোর্ট জমা রাখার শর্তে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তবে দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে আরো মামলা থাকায় তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সোমবার (৮ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক তিনটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়ে এ আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

আদালতে আপন জুয়েলার্সের মালিকদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আপন জুয়েলার্সের দুই মালিক গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের কারামুক্তিতে কোনো আইনগত বাধা নেই। তবে দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে আরও দুই মামলা থাকায় তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।

গত ১৪ ডিসেম্বর আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম এবং তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে একটি করে মামলায় জামিন দেন হাইকোর্ট। এর আগে গত ২২ নভেম্বর তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা ও রমনা থানায় মানি লন্ডারিং আইনে করা পৃথক পাঁচটি মামলায় কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, রেইনট্রি হোটেলে গত বছরের ২৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের শিকারের অভিযোগে ৬ মে বনানী থানায় মামলা হয়। এরপর আপন জুয়েলার্স নিয়ে আলোচনায় আসে। পরে গত ৪ জুন শুল্ক বিভাগ আপন জুয়েলার্সের ডিএনসিসি মার্কেট, উত্তরা, মৌচাক, সীমান্ত স্কয়ার ও সুবাস্তু ইনম শাখা থেকে প্রায় ১৫ মণ সোনা ও ৪২৭ গ্রাম ডায়মন্ড জব্দ করার পর তা রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এরপর দিলদার আহমেদ সেলিম এবং তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও মানি লন্ডারিং এর অভিযোগ পৃথক পাঁচটি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত