১২ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:১২
শুক্রবার বাদ ফজর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। তবে ইতিমধ্যে আসা দেশি-বিদেশি মুসল্লিদের জন্য বৃহস্পতিবার বাদ ফজর থেকেই প্রস্তুতিমূলক বয়ান শুরু হয়েছে।
ইজতেমায় তাবলিগ জামাতের দিল্লির আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর যোগ দেওয়া না-দেওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে কঠোর নিরাপত্তায় আজ এই ইজতেমা শুরু হলো।
আগামী রোববার জোহরের নামাজের আগেই আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম পর্ব। ১৯ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা।
ইজতেমার শীর্ষ মুরব্বি গিয়াস উদ্দিন বলেন, ইজতেমায় দুই পর্বে ২৭ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। প্রথম পর্বে ১৪ জেলা ও দ্বিতীয় পর্বে ১৪ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। এর মধ্যে ঢাকার মুসল্লিরা দুই পর্বেই অংশ নেবেন। বাকি ৩৭ জেলার মুসল্লিরা এ বছর নিজ নিজ জেলায় আঞ্চলিক ইজতেমায় অংশ নেবেন।
র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনোয়ার লতিফ খান বলেন, ইজতেমার কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে র্যাব নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সম্ভাব্য সব ঝুঁকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তাঁরা।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক মো. গাউস আল মুনির জানান, ইজতেমা চলাকালে বিশেষ ট্রেন চালু হবে এবং প্রতিটি ট্রেন টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে দুই মিনিট করে যাত্রাবিরতি করবে।
প্রথম পর্বে ১৪ জেলার মুসল্লিদের জন্য ২৮ খিত্তা
ইজতেমা ময়দানে প্রতি জেলার মুসল্লিদের অবস্থানের আলাদা স্থানকে খিত্তা বলে। প্রথম পর্বে অংশগ্রহণকারী জেলাগুলোর খিত্তা হলো ঢাকা (১ থেকে ৮, ১৬, ১৮, ২০ ও ২১ নম্বর), নারায়ণগঞ্জ (১২ ও ১৯), মাদারীপুর (১৫), গাইবান্ধা (১৩), শেরপুর (১১), লক্ষ্মীপুর (২২-২৩), ভোলা (২৫-২৬), ঝালকাঠি (২৪), পটুয়াখালী (২৮), নড়াইল (১৭), মাগুরা (২৭), পঞ্চগড় (৯), নীলফামারী (১০) ও নাটোর (১৪)।
আপনার মন্তব্য