সিলেটটুডে ডেস্ক

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৫:১১

উবার-পাঠাও পেল আইনি বৈধতা

আইনি বৈধতা পেয়েছে উবার, পাঠাও এর মতো স্মার্টফোন নির্ভর পরিবহনসেবা। এজন্য ‘রাইডিং শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার’ খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নীতিমালার খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রামসহ সারা দেশেই এই সেবা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। ১১টি শর্ত মেনে এই সেবা দেওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

তবে এজন্য সেবাদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে একটা লাইসেন্স নিতে হবে। পরে সেটা নবায়ন করতে হবে।

বর্তমানে ট্যাক্সিক্যাবের ভাড়ার জন্য যে নীতিমালা আছে এ ধরনের রাইডিংয়ের ক্ষেত্রেও সেই নীতিমালা অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ হবে।

পাঠাও সার্ভিসের মতো মোটরসাইকেলের মাধ্যমেও এই সেবা দেওয়া যাবে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ করলে সনদ বাতিলসহ প্রচলিত আইনে শাস্তি পাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, বর্তমানেও এ ধরনের সেবা কার্যক্রম চলছে। এটা এখন আইনি কাঠামোয় আনতে নীতিমালা করা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বর্তমানে রাজধানী সহ দেশসের বিভিন্ন জায়গায় চলছে একাধিক স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) ভিত্তিক পরিবহনসেবা। এর মধ্যে ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকা শহরে যাত্রা শুরু করেছিল বিশ্বের অন্যতম বড় অন-ডিমান্ড রাইডশেয়ারিং কোম্পানি উবার। এ ধরনের সেবার আওতায় উবারের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সিক্যাব থাকে না। অ্যাপল স্টোর বা গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘উবার’ নামের অ্যাপ নামাতে হয়। এরপর ই-মেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হয় চালক ও যাত্রীকে। তারপরই তারা এর সেবা নিতে পারেন।

উবারের পর ‘পাঠাও’ নামের আরেক প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেলে একই ধরনের সেবা চালু করেছে।

তবে এরআগে দেশে প্রথম ২০১৬ সালের ৮ মে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ চালু করে ‘ডাটাভক্সসেল লিমিটেড’ শেয়ার এ মোটরসাইকেল (স্যাম) নামে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত