সিলেটটুডে স্পোর্টস ডেস্ক

০৭ মে, ২০১৫ ১৭:৪১

ঢাকা টেস্ট: প্রতিরোধহীন অচেনা বাংলাদেশ

অনেক দিন পর এমন প্রতিরোধহীন বাংলাদেশকে দেখা গেল। পাকিস্তানের ছুড়ে দেয়া ৫৫৭ রানের পাহাড় সামনে রেখে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতীতে উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষেই বড় পরাজয়ের মুখে বাংলাদেশ।
 
চরমতম ব্যাটিং  বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দ্বিতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ১০৭ রান। ফলো অন এড়াতে দরকার আরো ২৫০ রান। দিনের শেষ বলে ইয়াসির শাহর বলে ১২ রান করে অযতা কাট খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে মুশফিকুর রহিমই বিপদ আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন।

শেষ বিকেলে ইয়াসির শাহ'র বল যেভাবে টার্ন করল তাতে জুবায়ের কেন একাদশের বাইরে থাকলেন? এমন প্রশ্ন বারবার উঠছে। দ্বিতীয় দিন চা বিরতিতে আট উইকেটে ৫৫৭ রানে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। এক বোলার কম নিয়ে খেলার কুফল আবারও পেলেন বাংলাদেশ কাপ্তান।

পাহাড় টপকানোর ইনিংস মাত্রই খুলনায় খেলে এসেছেন তামিম-ইমরুল। আবারও তা করবেন এমনটা বড্ড বাড়াবাড়ি। চা বিরতির পর ইনিংসের প্রথম ওভারেই চার রান করে জুনায়েদ খানের বলে এল বি ডাব্লিউ হয়ে ফিরে যান তামিম ইকবাল। এরপর দলীয় ৩৮ রানে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে জুনায়েদের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মুমিনুল আউট হলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

তবে ইমরুল কায়েস এবং মাহমুদুল্লালাহর ৩১ রানের ছোট্ট পারর্টনারশিপ ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নই দেখাচ্ছিল। কিন্তু ইয়াসির শাহর বলে ইমরুল কায়েস ৩২ রান করে বোল্ড হলে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এর কিছুক্ষণ পরই মাহমুদ্দলাহ ২৮ রান করে ওয়াহাব রিয়াজের বাউন্সার পড়তে না পেরে তোলে দেন ক্যাচ। ৮৫ রানে ৪ উইকেট হয়ে যান দলীয় সংগ্রহ।

পাকিস্তানের আজহার আলী ২২৬ ইউনিস খান ১৪৮ এবং আসাদ শফিক ১০৭ রানের ইনিংসের উপর ভর করে আট উইকেটে ৫৫৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান।

আগের দিনের তিন উইকেটে ৩২৩ রান নিয়ে খেলতে নেমে স্কোর বোর্ডে কোন রান যোগ না করেই সাকিব আল হাসানের বলে ব্যক্তিগত নয় রান করে বোল্ড হন মিসবাহ উল হক। এরপর আজহার আলী এবং আসাদ শফিক ২০৭ রানের পার্টানারশিপ গড়ে দুঃশ্চিন্তায় ফেলে দেয় বাংলাদেশকে।

তবে চা বিরতির আগে দ্রুত চার উইকেট তুলে নিয়ে খেলয় ফিরে আসে স্বাগতিকরা। শুভাগত হোম আজহার আলী এবং আসাদ শফিকের উইকেট তুলে নেন। এছাড়া তাইজুল ইসলাম নেন ওয়াহাব রিয়াজ এবং ইয়াসির শাহর উইকেট। এরপর চা বিরতিতেই ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত