১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:২১
এরআগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ছয়টি আসর হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ এই বিপিএল হলেও এটা ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ভার্সনে বাংলাদেশের সপ্তম আসর। মজার বিষয় হচ্ছে, প্রতিবারের মত এবারও নতুন দল পেয়েছেন মুশফিকুর রহিম।
দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে বিপিএল জার্নি শুরু করা মুশফিককে এবার দলে নিয়েছে খুলনা টাইগার্স।
রোববার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিপিএলের ড্রাফট। ড্রাফটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এবার নিয়ে সপ্তমবারের মতো বিপিএল খেলতে যাচ্ছেন মুশফিক। সাত আসরে মুশফিকের গায়ে উঠেছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন জার্সি!
২০১২ সালে বিপিএলের প্রথম আসরে মুশফিক খেলেছিলেন নিজ বিভাগের ফ্র্যাঞ্চাইজি দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে। ২০১৩ সালে পরের বিপিএলেই নতুন দলে, চলে এলেন সিলেট রয়্যালসে। ২০১৫ সালে রদবদলের মধ্য দিয়ে যাওয়া তৃতীয় বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজির নাম হয় সিলেট সুপারস্টারস। সে সুবাদে মুশফিক সিলেটের হয়ে খেলেও নাম জড়াল আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে।
পরের বিপিএলে আর সিলেটের জার্সিতে দেখা যায়নি মুশফিককে। ২০১৬ বিপিএলে মুশফিক খেলেন বরিশাল বুলসের হয়ে। বরিশালেও এক বছরের বেশি থাকেননি, ২০১৭ বিপিএলে দল বদলে আবার চলে আসেন রাজশাহী কিংসে। পরের বারের গল্পটাও এক। ২০১৯ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত বিপিএলে মুশফিক আর রাজশাহীতে নেই, দল বদলে এবার চিটাগাং ভাইকিংসে!
দল বদলের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকল এবারও। প্রথমবারের মতো খুলনার হয়ে খেলতে চলেছেন। যদিও বেশ কয়েকবারই প্লেয়ার্স ড্রাফট হওয়াতে দল নির্বাচনের সুযোগ ছিল না তার।
সর্বশেষ বিপিএলে চিটাগাং ভাইকিংসের হয়ে ১৩ ম্যাচে ১৩৯.২২ স্ট্রাইক রেটে ৪২৬ রান করেছিলেন। রানের দিক থেকে এটি ছিল মুশফিকের দ্বিতীয় সফল বিপিএল। এর আগে ২০১৩ আসরে সিলেট রয়্যালসের হয়ে খেলে সমান ম্যাচে ৪৪০ রান করেছিলেন।
একেক বার একেক দলে খেললেও মুশফিক কখনই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হতে পারেননি। পারবেন কি এবার প্রথমবারের মত বিপিএল শিরোপার স্বাদ পেতে?
আপনার মন্তব্য