২৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:১২
বিসিসিআই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু ক্রিকেটের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আচরণ জন্ম দিয়েছে প্রশ্নের।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) আর্থিক সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। গত চার বছরে শুধু মামলা-মোকদ্দমাতেই ২০০ মিলিয়ন রুপি খরচ করেছে বিসিসিআই।
এ মৌসুমে ৬০ বছরে পা রাখা ক্রিকেট স্কোরারদের একরকম জোর করেই অবসরে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগী স্কোরারদের অবসরে পাঠানো নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে। এ মৌসুমে তাঁদের কাজে না রেখে বিষয়টি কার্যকর করেছে বিসিসিআই।
ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেন স্কোরার। ম্যাচের রানসংখ্যা ও উইকেট থেকে চুলচেরা সংখ্যা-তথ্য-উপাত্ত রাখেন তাঁরা। স্কোরারদের কাজের ভিত্তিতেই পরে নানা রকম পরিসংখ্যান বের করা হয়। কিন্তু বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে ভারতের স্কোরাররা ঠিক মেনে নিতে পারছেন না। তাঁদের দাবি, অবসর পাঠানোর বিষয়টি বোর্ড অন্তত যথাযথ নিয়মে তাঁদের জানাতে পারত।
স্কোরারদের একরকম জোর করেই অবসরে পাঠিয়েছে বিসিসিআই। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কোরারদের কিছুই জানায়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলীর কাছে এ নিয়ে লিখিত কাগজ জমা দিয়েছেন প্যানেলভুক্ত স্কোরাররা। টাইমস অব ইন্ডিয়া সেখান থেকে একটি উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে, ‘আসছে মৌসুমই তোমাদের চূড়ান্ত মৌসুম—এমন কিছু জানালে সেটা আরও ভালো হতো। স্কোরাররা এটা ভালো মনে মেনে নিতে পারত। কিন্তু তা না হয়ে খবরটি আঘাত হয়ে এসেছে।’
বিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এক স্কোরার জানান, ‘আমরা বিসিসিআইয়ে তাদের (আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি) মতো চাকরি করি না, তাহলে অবসরে পাঠানো হয় কীভাবে? এ ছাড়াও আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিরা অনেক বেশি ম্যাচ ফি এবং পেনশন পেয়ে থাকেন। আমাদের এমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। স্কোরিং শুরু করেছিলাম ভালোবাসা থেকে। অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি।’
বিসিসিআইয়ের কাছে স্কোরারদের দাবি, অবসরে পাঠানো স্কোরারদের অনতিবিলম্বে ২০১৯-২০ মৌসুমের জন্য কাজে ফেরানো হোক। অবসর নীতিমালা ঠিক করা হোক তাঁদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে।
আপনার মন্তব্য