০৪ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:২৩
ছবি: আসিফ আকবরের ফেসবুক
সময়মত বিয়ের মাধ্যমেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে বলে মন্তব্য করেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাতে আসিফ পারিবারিক কয়েকটি ছবি সেয়ার করে তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে এ গায়ক বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসল সফলতা আসবে ছাত্র-ছাত্রীদের সময়মত বিয়ে করার মাধ্যমেই। আমি ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ের পক্ষে। এতে সংসার শুরু করা যায় দ্রুত। তারাও বাবা-মা হতে পারে, আমরাও দাদা/নানা হতে পারি সুন্দর সময়ে।’
তিনি বলেন, কবে স্টাডি শেষ হবে, তারপর প্রতিষ্ঠা পাবে, তারপর টাকা জমিয়ে বিয়ে করতে হবে ! এরমধ্যে চলে যাবে যৌবনের সুন্দর সময়। স্বর্নের ভরি এখন এক লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা। অন্যান্য সামাজিকতার খরচ ধরলে কেউ ২৪/২৫ বছর বয়সে বিয়ে করতে পারবেনা। সন্তানদের বিয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বাবা মা'কে।
আসিফ আকবর আক্ষেপ করে বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, ছাত্র আন্দোলনের বাঘা বাঘা নেতা এবং তাদের সহকর্মীরা এখনো ব্যাচেলর, অথচ আমি ঐ বয়সে দুই ছেলের বাবা হয়েছি। তাদের উচিত রাষ্ট্র ব্যবস্থায় তরুণদের বিয়ের জন্য একটা পদ্ধতি তৈরি করা, ব্যাংক ঋণ দিবে এবং সেটা দূরবর্তী সময়ের কিস্তিতে আস্তে আস্তে পরিশোধ করা হবে কোন প্রেশার ছাড়া। আন্দোলনে বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটা ফ্রি টিপস দিলাম, এখনই সময়।
তিনি বলেন, এদিকে দেখতে দেখতে আমার বড় ছেলে শাফকাত আসিফ এবং শেহরীন ঈশিতার দ্বিতীয় বিয়ে বার্ষিকী পূরণ হয়েছে আজ। দুজনেই কানাডার টরন্টো'য় স্টাডিতে আছে। তবে আপাতত দাদা হওয়ার মত কোন সুখবর নেই। ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো প্ল্যান নাকি আছে। বললাম তোমার জন্মের সময় কোন প্ল্যান আমাদের ছিলনা, অথচ দুর্ভাগ্য তোমার কাছ থেকে প্ল্যানের গল্প শুনতে হলো। পরিস্থিতি যাই ঘটুক ২০২৬ সালের শুরুতেই আমার ছোট ছেলে শাফায়াত রুদ্র'র বিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ, সেই অপেক্ষায় অস্থির হয়ে আছি। রণ- ঈশিতা তোমাদের বিয়ে বার্ষিকীর শুভেচ্ছা। আনন্দে বাঁচো বাবা।
উল্লেখ্য, আসিফ আকবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমর্থক ছিলেন। তিনি একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯২ সালের ১০ জুলাই ভালোবেসে সালমা আসিফ মিতুর সঙ্গে সংসার বাঁধেন তিনি। অল্প বয়সে বিয়ে ও সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন এই দম্পতি। এরই মধ্যে বড় ছেলেকেও বিয়ে দিয়েছেন আসিফ।
আপনার মন্তব্য