৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১৬
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে মোট ছয়টি হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনী।
ইরান ও সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সম্প্রতি তেহরানে একটি বিরল বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনার ভিত্তিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে ঐকমত্য হওয়ার পরও এই হামলার ঘটনা ঘটল।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সৌদির পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে শুরু করে রাজধানী রিয়াদ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, তারা রাস তানুওয়া তেল শোধনাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আবকাইকের আরামকো স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র, দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন, রাবিগ তেল শোধনাগারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং নাজরান অঞ্চলের একটি সৌদি সামরিক সদর দফতরে হামলা চালিয়েছে। তবে হুথিদের এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ মাধ্যমের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে তেহরানে সংঘাত কমাতে ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা এক বৈঠকে অংশ নেন। ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ি এবং সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে একমত হওয়া সত্ত্বেও এই হামলাগুলো চালানো হলো।
এ দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, তারা রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা হুথিদের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র দুটির ধ্বংসাবশেষ মাটিতে পড়ে রিয়াদে একজন সৌদি নাগরিক আহত হয়েছেন এবং একটি বাড়ি ও একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স।
আপনার মন্তব্য