০৮ আগস্ট, ২০২৩ ১১:০৯
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে শাপলা আক্তার নামে (৩০) এক গৃহবধূর মুখে বিষ ঢেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা শ্বশুর ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ওই গৃহবধূ মারা যান।
এরআগে গত শনিবার ৫ আগস্ট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের পরাজার গ্রামের আবুল বারেকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে তোলপাড় ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিহত শাপলা সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের মঙ্গলেশ্বর গ্রামের আব্দুল ছুবহানের মেয়ে।
স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, প্রায় ১০ বছর আগে শাপলাকে বিয়ে দেন মিরাশী ইউনিয়নের পরাজার গ্রামের আব্দুল বারেকের পুত্র সবুজ মিয়ার সাথে। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৩টি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। তাদের সংসার সুখে শান্তিতেই কাটছিল। গত শনিবার নিহতর চাচা শ্বশুর আব্দুল কাদির ও তার ছেলে বিল্লালের সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয় শাপলার। একপর্যায়ে শাপলাকে মারপিট করে রুমার মুখে কীটনাশক (বিষ) ঢেলে পালিয়ে যায় তারা বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের । এ সময় শাপলার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এতে শাপলার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখান সোমবার সকালে শাপলা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
নিহতের পিতা বলেন, আমার মেয়ের স্বামী সবুজ মিয়ার সাথে তার চাচার আব্দুল কাদিরের দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ঘটনার দিন তার চাচা ও চাচাত ভাই আমার মেয়েকে মারপিট করে মুখে বিষপান করিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার বিচার চান ।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।
চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রাশেদুল হক বলেন, বিষপানে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ।
আপনার মন্তব্য