০১ জুলাই, ২০১৫ ১২:৩০
জাফলংয়ে চা-শ্রমিক ও বোমা মেশিন মালিকদের পক্ষে পাথর শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে ওই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০জুন) পিয়াইন নদীর তীরে টাস্কফোর্সের অভিযানের পর বেলা আড়াইটার দিকে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এ সময় পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এদিন দুপুরে পিয়াইন নদীর তীরে জাফলং চা-বাগান এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৪টি বোমা মেশিনের সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়।
পরিবেশ অধিদফতরের সহায়তায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন পরিবেশ অধিদফতর সিলেটের পরিদর্শক পারভেজ আহমেদ, পুর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক ভুইয়া বাবুলসহ বিজিবি ও পুলিশ।
এসময় চা-বাগানের কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ পাথর উত্তোলণে ব্যবহৃত বোমা মেশিন সরঞ্জাম ধ্বংস ও চা-বাগানের জায়গায় গড়ে উঠা প্রায় ১০টি দোকান ভাংচুরের পর অগ্নিসংযোগ করে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা দুটি পেলুডারেও ভাংচুর চালায়।
অভিযান শেষে টাস্কফোর্সের সদস্যরা ফিরে আসার পর বোমা মেশিন মালিকদের পক্ষ হয়ে পাথর শ্রমিকরা চা শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।
এতে পুর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক ভুইয়া বাবুলসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে দুই রাউন্ড ফাঁকা পুলিশ গুলি ছোড়ে বলে জানান গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল হাই।
গোয়াইনাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, পিয়াইন নদীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য