০৬ জুলাই, ২০১৫ ০২:৩০
সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শিবিরের ৫ সাথীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে একজন মদন মোহন কলেজের তারাপুর ক্যাম্পাস শিবিরের সভাপতি।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- জকিগঞ্জ থানার লাকাকোনা গ্রামের মোঃ আব্দুল কাদিরের পুত্র তারাপুর ক্যাম্পাস শিবিরের বাইতুলমাল সম্পাদক কাউছার হামিদ (২২), কুলাউড়া থানার বুকশী মইল গ্রামের চেরাগ মিয়ার পুত্র তারাপুর ক্যাম্পাসের শিবির সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান (২৪), হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার পশ্চিম বড়চর গ্রামের মোঃ আকবর আলীর পুত্র শিবিরের সাথী এজি এম সাব্বির (১৯), গোলাপগঞ্জ থানার বাগলা গ্রামের মোঃ মঈন উদ্দিনের পুত্র শিবিরের সাথী মিনহাজ উদ্দিন (২০) এবং কুলাউড়া থানার মনসুর কাদিপুর গ্রামের আজির উদ্দিনের পুত্র শিবিরের সাথী মিনহাজ উদ্দিন (২০)।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার গভীর রাতে জালালাবাদ থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরী ও শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তারাপুর ক্যাম্পাসের সভাপতি সেক্রেটারীসহ শিবিরের ৫ সাথীকে গ্রেফতার করে। রোববার তাদেরকে জালালাবাদ থানার ৫ (০৭-০৪-১৫) নং বিষ্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার এসআই মোঃ জাকির হোসেন জানান, গত ৭ এপ্রিল সকাল ১১ টার দিকে জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল কামরুজ্জামানের আপীলের রায়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের আহুত হরতালে নেতাকর্মীরা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাঠানটুলা এলাকায় রাস্তায় গাড়ী আটকিয়ে ভাংচুর করে যানমালের ক্ষতি সাধন করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় জালালাবাদ থানায় বিষ্ফোরক আইনে ৫ (০৭-০৪-১৫) একটি মামলা দায়ের করা হয়। তিনি আরো বলেন, ওইদিন ঘটনার সময় উক্ত ধৃত আসামীরা প্রত্যক্ষভাবে উপস্থিত হয়ে ঘটনা সম্পাদন করেছে বলে তদন্তে তথ্য প্রমান পাওয়া গেছে। ধৃতরা বিভিন্ন ধরনের নাশকতামুলক কর্মকান্ডে জড়িত। তাই তাদের বিরুদ্ধে আদালতে রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে বলে জানান তিনি ।
আপনার মন্তব্য