১৪ জুলাই, ২০১৫ ১৮:৩৭
রাজনের বাবা বাবা শেখ আজিজুর রহমান ও স্বজনদের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান এ কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
রাজনের বাবা অভিযোগ করেন, রাজন হত্যার পর তিনি মামলা করতে জালালাবাদ থানায় গেলে পুলিশ তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে ও মামলা নিয়ে গড়িমসি করে। এছাড়া ঘাতক কামরুলকে অর্থের বিনিময়ে সৌদি পালিয়ে যেতে পুলিশ সহায়তা করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এসব অভিযোগ নিয়ে সিলেটটুডে-তে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
পুলিশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্তে আজ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন মহানগর পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এসএম রুকন উদ্দিনকে প্রধান করে গঠিত কমিটিতে অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মুশফেকুর রহমান ও ডিসি (দক্ষিণ) জেদান আল মুসা।
সামিউল হত্যাকান্ডের পর তার বাবা ও স্বজনরা থানায় মামলা করতে গেলে নগরীর জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুল ইসলাম তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং প্রকৃত খুনিদের আড়াল করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।
এছাড়া এসআই আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে সামিউলের ঘাতক কামরুল ইসলামকে সৌদি আরব পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগও করেছেন সামিউলের বাবা আজিজুর রহমান।
এর প্রেক্ষিতেই এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ।
তিনি জানান, আগামী ৩ দিনের মধ্যে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
আপনার মন্তব্য