১৫ জুলাই, ২০১৫ ১৫:৪৯
রাজনের বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সান্তনা দিচ্ছেন মেহের আফরোজ চুমকী
রাজন হত্যার বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী।
বুধবার দুপুরে নৃশংস নির্যাতনে খুন হওয়া শিশু সামিউল আলম রাজনের বাড়িতে গিয়ে এ আশ্বাস দেন চুমকী। রাজনের পরিবারকে সান্তনা জানাতে সিলেট আসেন প্রতিমন্ত্রী।
মেহের আফরোজ চুমকী বলেন, সরকার এই মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। মানুষ কতো পাষন্ড হলে একটা শিশুকে এভাবে হত্যা করতে পারে। এরকম ঘটনাকে বরদাস্ত করার সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমরা কেবল মর্মাহত নই শংকিতও। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে চুমকী বলেন, এ ঘটনায় যদি কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থেকে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিকৃত রুচির মানুষ সব জায়গায়ই আছে। এদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন হতে হবে। সেদিন একজন মানুষও যদি প্রতিবাদ করতো তা হলে হয়তো এ ঘটনা ঘটতো না।
বুধবার বেলা দেড়টার দিকে প্রতিমন্ত্রী সামিউলের গ্রামের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলা কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেয়ালি গ্রামে যান। তিনি সামিউলের বাবা-মাকে শান্তনা জানিয়ে বলেন, ‘এই নির্মম হত্যাকান্ডের নিন্দা জানানো ভাষা আমার নেই।’
প্রতিমন্ত্রী চুমকি বলেন, ‘এ ধরনের নৃশংস হত্যাকান্ড যাতে আর না ঘটে, সেজন্য খুনিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশানুযায়ী সামিউলের বাবা-মার হাতে এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সাবেক সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ চৌধুরী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, সাবেক মহিলা সাংসদ জেবুন্নেসা হক, আওয়ামী লীগ নেতা সুজাত আলী রফিক প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য